Home লাইফ স্টাইল জলপাইয়ের তেলের স্বাস্থ্যোপকারিতা

জলপাইয়ের তেলের স্বাস্থ্যোপকারিতা

42
0

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জলপাইয়ের তেল বা অলিভ অয়েলের সাতটি গুণাগুণ সম্পর্কে এখানে জানানো হল।।

এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল: কোনো রকম রাসায়নিক সংমিশ্রণ ছাড়া উচ্চ চাপের মাধ্যমে জলপাই থেকে এই তেল উৎপন্ন করা হয়। যাকে ‘কোল্ড প্রেস’ পদ্ধতি বলা হয়।

এটা বেশি স্বাস্থ্যকর এবং বাজারের সবচেয়ে দামি জলপাইয়ের তেল।

ভার্জিন অলিভ অয়েল: এটা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল অপেক্ষা কম দামি তবে রান্নার জন্য খুব ভালো।

খাঁটি অলিভ অয়েল: এটা পরিশোধিত ও ভার্জিন অলিভ অয়েলের সংমিশ্রণ। এটা রান্না বা খাওয়ার জন্য উপযোগী নয়। কারণ এটা উচ্চ অ্যাসিডিক উপাদান সমৃদ্ধ।

এবার আসা যাক জলাপাইয়েরে তেলের স্বাস্থ্যোপকারিতায় কথায়

ডায়াবেটিস দূর করে: অনেক গবেষণা থেকেই জানা গেছে যে, জলপাই তেল রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। রান্নায় এর ব্যবহার ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।

স্তন ক্যান্সার দূর করে: নানান গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা জলপাইয়ের তেল গ্রহণ করেন তাদের অন্যান্যদের তুলনায় স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। এই তেলে ’অলেরোপিয়ান’ নামক প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা ক্যান্সার রোধে সহায়তা করে।

হাড় শক্ত করে: হাড় শক্ত করতেও জলপাইয়ের তেল কাজ করে। এই তেল খাওয়া হলে উচ্চ মাত্রায় অস্টিওক্যালসিন শরীরে প্রবেশ করে যা হাড় শক্ত করতে সহায়তা করে।

ওজন কমানো: ওজন কমানো সহজ কাজ নয়। তবে প্রতিদিনকার রান্নার তেলের বদলে যদি জলপাইয়ের তেল ব্যবহার করা হয় তাহলে দ্রুত ওজন হ্রাস পায়। পছন্দের খাবার জলপাইয়ের তেল দিয়ে রান্না করুন অথবা সালাদের উপরে ছড়িয় দিন; ওজন কমতে সহায়তা করবে।

বিষণ্নতা কমায়: জলপাইয়ের তেলে আছে হতাশানাশক উপাদান। এটা সেরোটোনিন নামক হরমোন বাড়ায় ফলে হতাশা কমে।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: জলপাইয়ের তেল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

ব্যথা নাশক: এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যথা নাশক হিসেবে পরিচিত। এতে অলিওক্যান্থাল আছে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।